WorksheetsCha- 01 (বহির্জাত প্রক্রিয়া ও তাদের দ্বারা সৃষ্ট ভূমিরূপ )
Total questions: 10
Worksheet time: 10mins
প্রধান নদীর সঙ্গে যেমন ছোটো ছোটো উপনদী এসে মেশে, সেই রকম প্রধান হিমবাহের সঙ্গে ছোটো ছোটো হিমবাহও মেশে । ক্ষয়ের ফলে প্রধান হিমবাহের উপত্যকা খুব বড় ও গভীর হয় । তাই ছোটো হিমবাহের উপত্যকা প্রধান হিমবাহের উপত্যকার উপর ঝুলন্ত অবস্থায় থাকে । একে (a) বলে।
মোহনার কাছে নিম্ন গতিতে নদীর গতিপথের ঢাল একেবারে কমে যাওয়ায় নদীতে জলপ্রবাহের গতিবেগ খুব একটা থাকে না । মোহনার কাছে সাগরের জলে স্রোত কম থাকলে নদীগর্ভ, হ্রদ বা সাগরসঙ্গম নদীবাহিত পলি ( নুড়ি, কাঁকর, কাদা, বালি) জমে উঁচু হয়ে যাওয়ায় নতুন ত্রিকোণাকার ভূভাগ যুক্ত ভূমিরুপ সৃষ্টি হয়, একে (a) বলে।
বর্ষাকালে নদীর নিম্নগতিতে নদীর জল হঠাৎ বেড়ে গেলে নদী উপত্যকায় প্লাবন বা বন্যা হয় । একাধিকবার প্লাবনের ফলে নদীখাতের পাশে বেশি পরিমান পলি সঞ্চয়ের ফলে উঁচু বাঁধের মত ভুমিরুপ সৃষ্টি হয় একে (a) বলে।
পার্বত্য প্রবাহে নদীর গতিপথে আড়াআড়ি ভাবে কোনো কঠিন শিলা থাকলে, সেই কঠিন শিলা পাশের কোমল শিলা থেকে অপেক্ষাকৃত কম ক্ষয় পায় এবং কালক্রমে উঁচু হয়ে থাকে । নদীস্রোত সেই খাড়া ঢাল থেকে বিপুল বেগে নীচের কোমল শিলায় পড়ে (a) সৃষ্টি হয়।
বায়ুপ্রবাহের সঞ্চয়কাজের ফলে কোনো বিস্তীর্ণ স্থান জুড়ে উঁচু ও দীর্ঘ বালির স্তূপ গঠিত হলে তাকে (a) বলে।
দুই প্রান্তে অর্ধচন্দ্রকারে দুটি শিং-এর মতো শিরা অবস্থান করে , এইসব বালিয়াড়ি বায়ুর গতির দিকে ক্রমশ ঢালু ও বিপরীত দিকে ক্রমশ খাড়াই হয় । যে সব মরু অঞ্চলে বছরের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দিক থেকে বায়ু প্রবাহিত হয়, সেখানে এই বালিয়াড়ির সৃষ্টি হয়ে থাকে । বালিয়াড়িটির নাম (a) ।
মেরুপ্রদেশ ও উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলের তীব্র শৈত্যে, যে সীমারেখার উপরে অত্যধিক শীতলতার জন্য সারা বছর তুষার জমে থাকে এবং নীচে উত্তাপে তুষার গলে যায় তাকে সেই সীমারেখাকে (a) বলে।
হিমবাহ গলে গেলে তার নীচে হিমবাহের সঙ্গে বয়ে আনা বালি ও কাদার সঙ্গে বিভিন্ন আকৃতির নুড়ি-পাথর অবক্ষেপ হিসাবে সঞ্চিত হয়ে সারিবদ্ধ টিলা বা ছোটো ছোটো স্তুপের আকারের ভুমিরুপ সৃষ্টি করে। ভূ-পৃষ্ঠের উপর এদের দেখতে অনেকটা উলটানো নৌকা বা চামচের মতো আকৃতির হয় । এই চামচের মতো আকৃতির ভূমিরূপকে (a) বলে।
বায়ুর গতিপথে কোনও কঠিন ও নরম শিলায় গড়া শিলাস্তূপ অবস্থান করলে এবং ওই শিলাস্তুপের নিচে নরম শিলা ও উপরে কঠিন শিলা থাকলে, নিচের কোমল অংশে বায়ুর ক্ষয়কার্যের তীব্রতা বেশি হয় । এর ফলে শিলাস্তূপটির নীচের অংশ ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে সরু স্তম্ভের মতো হয় এবং ওপরের কম ক্ষয়প্রাপ্ত কঠিন শিলাস্তরটি বিরাট আয়তন নিয়ে ব্যাঙের ছাতা বা স্তম্ভের মতো দাঁড়িয়ে থাকে । স্তম্ভাকৃতি এই (a) নামে পরিচিত ।
অতিসূক্ষ্ম বালিকণা, মাটির কণা বা মৃত্তিকা বায়ুর দ্বারা পরিবাহিত হয়ে মরুভূমি সীমানার অনেক দূরে নিয়ে গিয়ে অবনত ভূমিতে জমা হয়ে যে সমভূমি গঠন করে , এর রং হলদে এবং খুব উর্বর হয়। এই ধরনের সমভুমিকে (a) বলে।
